শেয়ার বিনিয়োগের আহ্বান

হাকীম মাওলানা আশরাফ আলী সাহেব

চার বছরের সফল ব্যবসার পর আপনাকেও অংশীদার করতে চাই

প্রতি শেয়ার
১,০০০ ৳
সর্বনিম্ন বিনিয়োগ
৫০,০০০ ৳
সর্বোচ্চ বিনিয়োগ
৩০ লক্ষ ৳
শেষ সময়
শেয়ার পূর্ন হবার আগ পর্যন্ত

আসসালামু আলাইকুম। আপনাকে একটি অনন্য ও সম্ভাবনাময় শেয়ার বিনিয়োগের সুযোগে স্বাগতম। আমি আমার উন্নতি ও অগ্রগতির মধ্যে আপনাদেরকেও অংশীদার করতে চাই। চার বছরের সফল ব্যক্তিগত ব্যবসার পর, যখন কোম্পানি গঠন করেছি, আপনাদেরকেও পাশে থাকার সুযোগ দিয়েছি কোম্পানিতে শেয়ার বিনিয়োগের মাধ্যমে।

💡

কেন এখানে শেয়ার বিনিয়োগ করবেন?

সম্পদ বৃদ্ধি এবং কম ইনভেষ্টে বিশাল ব্যবসা

আপনার নিজে জমি কেনার চেয়েও লাভজনক

আপনার বিনিয়োগকৃত অর্থ কোনো ব্যাংকে ঘুমিয়ে থাকবে না। এটি সরাসরি কোম্পানির স্থায়ী সম্পদ — যেমন জমি, বিল্ডিং, ফ্যাক্টরি ও মেশিনারি — তে রূপান্তরিত হবে। সময়ের সাথে সাথে কোম্পানির সম্পদ যখন মূল্য বৃদ্ধি পাবে, আপনার শেয়ারের মূল্যও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ, আপনি শুধু মাসিক লাভই পাবেন না, আপনার মূলধনও দিন দিন বাড়তে থাকবে । আপনার শেয়ার এখানে ব্যাংকের চেয়ে নিরাপদ। বিনিয়োগকৃত অর্থের ৯০% সরাসরি স্থায়ী সম্পদে (বিল্ডিং, জমি ও ফ্যাক্টরি স্থাপনা) বিনিয়োগ করা হবে এবং মাত্র ১০% টাকা ব্যবসায় ব্যবহৃত হবে। আপনার টাকা হাওয়ায় উড়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই, বরং প্রতিটি টাকা একটি দৃশ্যমান, হাতে-ছোঁয়া-যায় এমন সম্পদে পরিণত হবে।

কম ইনভেষ্টে বিশাল ব্যবসা

আমাদের খরচ শুধু কাঠামোতে, ব্যবসার খরচ লাগবনা কেন

আমাদের মূল খরচ শুধু সম্পদ কেনায়; উৎপাদন খরচ নিয়ে চিন্তা নেই। কারণ উৎপাদনের টাকা ডিলাররাই অ্যাডভান্স হিসেবে দিয়ে দেন। বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ তো বটেই, এমনকি কোনো আলেম-উলামার কোম্পানিতেও এমন সুযোগ পাওয়া কঠিন যেখানে আপনার বিনিয়োগের ৯০ শতাংশই স্থায়ী সম্পদ হিসেবে থাকবে। বাকি ১০ শতাংশ টাকা দিয়ে কোম্পানির ব্যবসা থেকে আপনি পুরো বিনিয়োগের ওপর লভ্যাংশ পাবেন। আমরা আগে প্রতি লাখে ৩ হাজার টাকা করে দিতে পেরেছি, ইনশাআল্লাহ এটি ধরে রাখার চেষ্টা করব, আর বাড়লে তো শুকরিয়া!

অগ্রিম মুনাফা বণ্টন

নিয়মিত আয়ের নিশ্চয়তা

কোম্পানির লাভ-ক্ষতি উভয়ই শেয়ারহোল্ডারদের বহন করতে হবে। তবে প্রতি ১ লক্ষ টাকায় মাসিক অগ্রিম লাভ হিসেবে ২,০০০ টাকা দেওয়া হবে। বছর শেষে বাকি লাভ দেওয়া হবে, লস হলে মূলধন থেকে কাটা যাবে।

দুই ধরনের শেয়ার

প্রয়োজনে শেয়ার তুলে নেয়ার সুযোগ

শেয়ারের দুই ধরণ: ১. চুক্তিভিত্তিক শেয়ার: এটি অনেকটা ইনভেস্টমেন্টের মতো। ৩ বছর মেয়াদী চুক্তিতে শেয়ার নিতে পারেন, যা মেয়াদ শেষে আমি লাভসহ কিনে নেব। ২. স্থায়ী সাধারণ শেয়ার: যেহেতু সম্পদ ও ব্যবসার পরিধি দিন দিন বাড়বে, তাই স্থায়ীভাবেও শেয়ার নিতে পারেন। প্রয়োজন হলে শেয়ার বিক্রি করে দিতে পারবেন ৩. ডাইরেক্টর হওয়ার সুযোগ: ৩০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগে আপনি আমাদের ডাইরেক্টর হতে পারেন। এমনকি কেউ যদি চান বিনিয়োগের পাশাপাশি আমাদের সাথে কাজ করবেন, সেই সুযোগও রয়েছে। আপনারা চাইলে সরাসরি ময়মনসিংহ এসে সবকিছু দেখে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এখানে আপনারা আমার মেহমান হিসেবে আমন্ত্রিত।

🏗️

কোম্পানির সম্পদ ও সুরক্ষা পরিকল্পনা

ক — জমি ক্রয়

বিসিক শিল্প নগরী, ময়মনসিংহ

৪ কোটি টাকা

ময়মনসিংহের বিসিক শিল্প নগরীতে ২৩ শতাংশ জমি ক্রয়ের পরিকল্পনা। ইতোমধ্যে পূর্ববর্তী শেয়ারের ২ কোটি টাকা দিয়ে প্রাথমিক বায়না সম্পন্ন করা হয়েছে।

এই স্থানে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও বাণিজ্যিক গ্যাস সংযোগ আসছে — যা বর্তমানে কোটি টাকা দিয়েও সহজে পাওয়া যায় না। নিজস্ব গ্যাস সংযোগ পেলে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

📋

এই জমির মালিক হাকীম সাহেবের নানা শ্বশুর, যিনি নিজের ওয়ারিশি সম্পদ বিক্রি করে এই জমি ক্রয় করেছিলেন। বর্তমানে এই জায়গায় "মক্কা মুড়ি" ফ্যাক্টরি রয়েছে। আমরা শর্ত সাপেক্ষে ফ্যাক্টরিসহ সম্পূর্ণ জমি ক্রয় করে নিয়েছি। তাঁর ছেলেরা এখন কোম্পানিতে পরিচালক হিসেবে যুক্ত এবং প্রায় ১ কোটি টাকার শেয়ার ধারণ করেন।

খ — ভবন নির্মাণ

পাঁচতলা ভবন নির্মাণ পরিকল্পনা

৬ — ৮ কোটি টাকা

এই ভবনটি হবে কোম্পানির প্রাণকেন্দ্র এবং আয়ের একটি স্থায়ী উৎস।

🏭
নিচতলা এবং ২য় তলা
নিজস্ব কারখানা — সম্পূর্ণ ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস সংযোগসহ
🏢
বাকি ৩ তলা
বিভিন্ন কোম্পানিকে ভাড়া — ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস সুবিধাসহ
প্রত্যাশিত মাসিক ভাড়া
৮ — ১০ লক্ষ ৳
ভাড়াটিয়া এডভান্স
২ কোটি+ ৳
ঔষধ উৎপাদনে ব্যবহৃত হবে
প্রতি লক্ষ বিনিয়োগে ভাড়া আয়
মাসিক আনুমানিক ৭০০ ৳
মূল ব্যবসায়িক লাভের বাইরে অতিরিক্ত আয়
📊

কোম্পানির শেয়ার কাঠামো

পূর্ববর্তী শেয়ার ৫ কোটি ৳
নতুন শেয়ার (১ লক্ষ) ১০ কোটি ৳
মোট মূলধন ১৫ কোটি ৳
পরিচালকের শেয়ার (হাকীম সাহেব) ৪ কোটি ৳
নিকটাত্মীয় পরিচালকদের শেয়ার ১ কোটি ৳
পাবলিক শেয়ার ১০ কোটি ৳

📈 কোম্পানির বর্তমান মূল্যায়ন

স্থায়ী সম্পদ (জমি ও স্থাপনা) ৩ কোটি ৳
কাঁচামাল বিনিয়োগ ২ কোটি ৳
কোম্পানি লাইসেন্স ভ্যালু ৩ কোটি ৳
ফ্যাক্টরি অধিগ্রহণের পর মোট ৮ কোটি ৳
বিল্ডিং নির্মাণ পরবর্তী প্রত্যাশিত মূল্যায়ন
১,০০০ ৳ ১,৫০০+ ৳

কোম্পানির মোট ভ্যালু দাঁড়াবে প্রায় ২৫ কোটি টাকা, ইনশাআল্লাহ

💰

লাভের মাধ্যমে সম্পদ বৃদ্ধি

কোম্পানি যখন লাভ অর্জন করবে এবং সেই লাভের অর্থ দিয়ে নতুন সম্পদ ক্রয় করা হবে (যেমন: গাড়ি, জমি, মেশিন), তখন কোম্পানি ও শেয়ারের ভ্যালু আরো বৃদ্ধি পাবে। আমরা লাভের টাকা জমা রাখি না — মোট লাভের সম্পূর্ণ অর্থই শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা করে এবং বাকিটা বছর শেষে। লাভের ভাগ সবাই সমানভাবে পাবেন — এমন নয় যে পরিচালকরা বেশি পাবেন। আমরা এই দিক থেকে অন্যদের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা এবং স্বচ্ছ

📋

আনুমানিক আয় ও লাভ বিশ্লেষণ

বর্তমান আয় ও লাভ

বর্তমানে আমরা ভাড়া ফ্যাক্টরিতে সংকীর্ণ জায়গায় কাজ করছি, যার ফলে উৎপাদন ক্ষমতা সীমিত। এত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমাদের সাফল্য উল্লেখযোগ্য —

💊 "লিভারটন" থেকে মাসিক আয়: ২০ — ৩০ লক্ষ ৳
📈 বর্তমান মাসিক নিট লাভ: আনুমানিক ১৫ লক্ষ ৳

শুরুর দিকে মার্কেটিং খরচ বেশি থাকা সত্ত্বেও এই লাভ অন্যান্য কোম্পানির তুলনায় অনেক বেশি। এই লাভের কারণেই আমরা এক লাখ টাকায় ৩,০০০ টাকা লাভ দিতে সক্ষম হয়েছি।

🚀 ভবিষ্যৎ আয়ের সম্ভাবনা

নিজস্ব ফ্যাক্টরি প্রতিষ্ঠিত হলে যে বিপুল সম্ভাবনা উন্মোচিত হবে —

গ্যাস সংযোগের ফলে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে

বৃহত্তর ফ্যাক্টরিতে উৎপাদন সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে

আরও অনেক নতুন ঔষধ উৎপাদন করা সম্ভব হবে

সারাদেশের প্রতিটি থানায় শোরুম স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা

হামদর্দ ও ইবনে সিনার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতার যোগ্যতা অর্জন, ইনশাআল্লাহ

পণ্যের অসাধারণ কোয়ালিটি নিজেই মার্কেটিংয়ের কাজ করবে — অটো মার্কেটিং!

আগামী দিনে মাসিক কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা, ইনশাআল্লাহ 🎯

ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসা থেকে আয়

🏢
ভবন ভাড়া
প্রতি লক্ষ বিনিয়োগে আনুমানিক ৭০০ টাকা
🍿
মুড়ির ব্যবসা (বিদ্যমান মার্কেট)
মাসে ৫ লক্ষ টাকা (বৃদ্ধির সুযোগ আছে)
🧼
সাবান ফ্যাক্টরি
১০ লাখ টাকার শেয়ার নেয়া হয়েছে। মাসে ৫০,০০০ টাকা (বর্তমান ব্যবসা থেকে দিচ্ছে)
🌿
নতুন ইউনানী সাবান (ভবিষ্যৎ)
সামনে আমরা যখন এই সাবান ফ্যাক্টরিতে নিজেদের ইউনানী সাবান ( এলার্জির সাবান) বানাবো, তখন বিশাল আয়ের সম্ভাবনা।
🗓️

অগ্রিম লাভ বণ্টন পরিকল্পনা

আমরা চেষ্টা করব প্রতি মাসে প্রতি লক্ষ টাকা বিনিয়োগে ২,০০০ টাকা অগ্রিম লাভ প্রদান করতে। বছর শেষে সম্পূর্ণ হিসাব নিরীক্ষা করে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অবশিষ্ট লাভ বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

⚠️

এই বছর ফ্যাক্টরি নির্মাণ চলমান থাকায় অগ্রিম লাভ বণ্টন এখনই শুরু করা সম্ভব হবে না। ফ্যাক্টরি নির্মাণ সম্পন্ন হয়ে ব্যবসা স্থিতিশীল হলে এটি চালু করা হবে।

ℹ️

নতুন শেয়ার ইস্যু করায় বর্তমানে যেখানে এক লাখ টাকায় মাসে ৩,০০০ টাকা লাভ ছিল, এখন ১,০০০ টাকায় নেমে এসেছে। তবে বিক্রি ও উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে সাথে এটি আবার বাড়বে। যখন মাসিক ৫০ লক্ষ টাকা লাভ করা সম্ভব হবে, তখন থেকে অগ্রিম মুনাফা বণ্টন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হবে।

🎁

শেয়ারহোল্ডারদের জন্য বিশেষ সুবিধাসমূহ

শেয়ারহোল্ডাররা আমাদের পরিবারের একটি অংশ

🔄
শেয়ার বিক্রি সুবিধা

জরুরি প্রয়োজনে ঘোষণা দিলে অন্য কেউ না নিলে হাকীম মাওলানা আশরাফ আলী সাহেব নিজে আপনার শেয়ার ক্রয় করবেন। আপনার বিনিয়োগ কখনো আটকে থাকবে না।

🤝
ইমার্জেন্সি কর্জে হাসানা

সুদমুক্ত ঋণ সুবিধা! সম্পূর্ণ শেয়ারের টাকা এক মাসের জন্য উঠিয়ে নিতে পারবেন অথবা শেয়ারের ১০% অর্থ ৭ দিনের জন্য নিতে পারবেন — এবং তখনও লাভ পাবেন!

💊
ঔষধ ক্রয়ে ছাড়

শেয়ারহোল্ডারদের জন্য আমাদের সকল ঔষধ ক্রয়ে বিশেষ মূল্যছাড় প্রযোজ্য।

🏥
চিকিৎসায় ছাড়

চুক্তিবদ্ধ হাসপাতালসমূহে চিকিৎসা সেবায় ৩০% পর্যন্ত ছাড় পাবেন।

🕌
ফ্রি উমরাহ লটারি

শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিশেষ লটারির মাধ্যমে ফ্রি উমরাহ করার সুযোগ এবং কম খরচে উমরাহ করার ব্যবস্থা।

শেয়ারহোল্ডার আমাদের পরিবারের মতো 🤲

ভবিষ্যতে আরও অনেক সুবিধা চালু করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

ওমেন্টাম ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড

শেয়ারহোল্ডারদের তালিকা(কাজ চলমান)

মোট শেয়ারহোল্ডার
0
মোট শেয়ার পরিমাণ
0
মোট টাকার পরিমাণ
৳0

তথ্য লোড হচ্ছে...